Spotting
 Timeline
 Travel Tip
 Trip
 Race
 Social
 Greeting
 Poll
 Img
 PNR
 Pic
 Blog
 News
 Conf TL
 RF Club
 Convention
 Monitor
 Topic
 #
 Rating
 Correct
 Wrong
 Stamp
 PNR Ref
 PNR Req
 Blank PNRs
 HJ
 Vote
 Pred
 @
 FM Alert
 FM Approval
 Pvt

FmT LIVE - Follow my Trip with me... LIVE

Godan Express: गोदान एक्सप्रेस - प्रेमचन्द की लेखनी ने रची यह अनुपम कृति, ये जोड़े मुंबई से पूंर्वांचली संस्कृति ।। - Saurabh

Search News

News Posts by জয়দীপ

Page#    Showing 1 to 5 of 226 news entries  next>>
Jun 12 2016 (00:29) গুয়াহাটির বসতি এলাকায় ঢুকে পড়ল ট্রেন (www.anandabazar.com)
Major Accidents/Disruptions
NFR/Northeast Frontier
0 Followers
13497 views

News Entry# 270749  Blog Entry# 1890631   
  Past Edits
Jun 12 2016 (12:29AM)
Station Tag: Guwahati/GHY added by জয়দীপ JOYDEEP जय़दीप*^~/90119
Stations:  Guwahati/GHY  
গভীর রাতে বিকট শব্দ। ঘুম ভেঙে গুয়াহাটির গাঁধী বস্তির লোকজন বাইরে বেরিয়ে চমকে যান। সিনেমার মতোই, পুরু দেওয়াল ভেদ করে বসতি এলাকায় ঢুকে পড়েছে ট্রেন! দেওয়ালঘেঁষা বাড়ি না থাকায় প্রাণহানি হয়নি। যেখানে ট্রেনটি থামে, তার কয়েক ফুট দূরেই ছিল ট্রান্সফর্মার। উত্তর-পূর্ব রেলসূত্রে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির ফলেই শান্টিংয়ের সময় একটি পার্সল ভ্যান লাইনচ্যূত হয়, রেল ইয়ার্ডের পাঁচিল ভেঙে লেভেল ক্রসিংয়ের পাশে গাঁধী বস্তিতে ঢুকে পড়ে। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরে ক্রেন এনে বগিটি বের করা হয়।

14768 views
Jun 12 2016 (05:55)
Arnab~   7713 blog posts
Re# 1890631-1              
Lucky, really lucky were the people there!
Jun 12 2016 (00:13) haldibari rail link with Chilahati bangladesh to be placed (www.anandabazar.com)
Commentary/Human Interest
NFR/Northeast Frontier

News Entry# 270748   
  Past Edits
Jun 12 2016 (12:13AM)
Station Tag: Chilahati/CLH added by জয়দীপ JOYDEEP जय़दीप*^~/90119

Jun 12 2016 (12:13AM)
Station Tag: Haldibari/HDB added by জয়দীপ JOYDEEP जय़दीप*^~/90119
Stations:  Haldibari/HDB   Chilahati/CHLT  
১৯৬৫ সালের পর ফের হলদিবাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্থাপিত হতে চলেছে। ইতিমধ্যে হলদিবাড়ি থেকে বাংলাদেশের সীমান্ত পর্যন্ত রেল লাইন পাতার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেল কর্তৃপক্ষের কাছে নির্দেশ এসেছে।
উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলের নিউ জলপাইগুড়ির এরিয়া ম্যানেজার পার্থসারথী শীল বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার এবং রেলমন্ত্রকের কাছ থেকে নির্দেশ আসার পরেই হলদিবাড়ি থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত রেললাইন পাতার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।”
রেল দফতর সুত্রে জানা গিয়েছে, একসময় হলদিবাড়ির সঙ্গে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ ছিল। ১৯৬৫ সালে ভারত এবং তৎকালীন পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধের পর রেল যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এ বার কেন্দ্রে
...
more...
বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর হলদিবাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়। দু’দেশের পররাস্ট্র দফতর এই রেললাইন চালু করা নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করে। অবশেষে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে পুরনো রেলপথ আবার নতুন করে তৈরি করে রেল যোগাযোগ স্থাপন করা হবে। হলদিবাড়ি স্টেশন থেকে রেলপথে বাংলাদেশ সীমান্ত তিন কিলোমিটার। ওপাশে বাংলাদেশের স্টেশন চিলাহাটি। এপারে হলদিবাড়ির মত ওপারেও চিলাহাটি পর্যন্ত ট্রেন আসে। মাঝের অংশটুকু শুধু এতদিন বন্ধ ছিল।
হলদিবাড়ি থেকে সীমান্ত পর্যন্ত রেলপথের উঁচু অংশটা থাকলেও লাইন নেই। সেই জায়গাও এখন বেদখল হয়ে গেছে। হলদিবাড়ি স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেলের জমির ওপর দোকানপাট বাড়িঘর তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে হলদিবাড়ি শহরে রেলের জমি দখল করে যারা বসবাস করছেন তাদের অবিলম্বে সরে যেতে বলা হয়েছে। নোটিস দেওয়া হয়েছে এবং মাইক নিয়েও প্রচার চালানো হচ্ছে।
নতুন রেলপথ চালুর জন্য যা যা দরকার তা নিয়ে রেলের পক্ষে একটা সমীক্ষাও করা হয়েছে। রেলবোর্ডের কাছে হলদিবাড়ি স্টেশন সংলগ্ন এলাকার পরিকাঠামোর উন্নয়ন নিয়ে একটা পরিকল্পনা পাঠানো হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে যে হলদিবাড়ি স্টেশনটি বড় করা দরকার। বাংলাদেশের ট্রেন এসে দাঁড়ানোর জন্য বড় মাপের একটা আলাদা প্ল্যাটফর্ম করা দরকার। এছাড়াও বেশ কয়েকটি অফিস তৈরি হবে। পিট লাইনেরও উন্নতি করা হবে। রেলবোর্ড থেকে এই প্রস্তাবগুলির অনুমোদন আসলেই দরপত্র আহ্বান করে কাজ শুরুর কথা জানা গিয়েছে।
তবে হলদিবাড়ি দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলবে, না মালগাড়ি চলবে সে বিষয়ে এখনও উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলের কর্তারা কিছু জানাতে পারেননি। আপাতত রেলের জমি দখলমুক্ত করে পরিকাঠামোর উন্নয়নই মুখ্য। রেল দফতরের একজন আধিকারিক জানিয়েছেন, রেলবোর্ডের কাছ থেকে প্রস্তাবগুলির অনুমোদন আসলে আর দেরি করা যাবে না। কারণ বিষয়টি স্পর্শকাতর এবং আন্তর্জাতিক। অনুমোদন আসার পর দ্রুত কাজ শেষ করে ফেলা হবে।
Jun 12 2016 (00:10) এ বার টয় ট্রেন পৌঁছল রাত একটায় - কাঠগড়ায় সেই রক্ষণাবেক্ষণ, পরিদর্শনে ডিআরএম (www.anandabazar.com)
Major Accidents/Disruptions
NFR/Northeast Frontier

News Entry# 270747   
  Past Edits
This is a new feature showing past edits to this News Post.
কোনও দিন ইঞ্জিন বিগড়ে মাঝপথে থেমে থাকছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কখনও রেকের ব্রেক খুলে দাঁডিয়ে পড়ছে। কখনও বা ইঞ্জিনের অভাবে প্রতিদিনের পরিবর্তে সপ্তাহে তিনদিন চালাতে হচ্ছে। তারপরেও টয় ট্রেন চলাচলে বিভ্রাট যেন কাটতেই চাইছে না।
গত বৃহস্পতিবার দার্জিলিং থেকে ফেরার টয়ট্রেন শিলিগুড়ি জংশন স্টেশনে ঢুকেছে মাঝরাত পার করে। শুক্রবারও টয়ট্রেন দার্জিলিঙে পৌঁছেছে নির্ধারিত সময়ের ঘণ্টাখানেক পরে। গত মঙ্গলবার কার্শিয়াং লাগোয়া এলাকায় টয়ট্রেনের চাকা লাইন থেকে খানিকটা সরে গিয়ে আটকে যায়। সামনে রেলসেতু থাকায় বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল ‘ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ টয় ট্রেন। তারপরের দিন প্যাসেঞ্জার স্পেশাল ট্রেন চলাচলও বন্ধ ছিল। এরপরে গত বৃহস্পতিবার দার্জিলিং থেকে টয়ট্রেন ছাড়তেই ফের বিপত্তি। মাঝপথে অন্তত তিন বার টয় ট্রেনের ইঞ্জিন বিগড়ে যায় বলে অভিযোগ। শিলিগুড়ির কাছে তিনধারিয়া পৌঁছে শেষবার ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। প্রায়
...
more...
চার ঘণ্টার চেষ্টায় ইঞ্জিন মেরামত সম্ভব হয়। ততক্ষণে অবশ্য যাত্রীদের অধিকাংশই গাড়ি ভাড়া করে শিলিগুড়ি ফিরতে বাধ্য হন। ইঞ্জিন মেরামত হওয়ার পরে শিলিগুড়ি জংশনে টয়ট্রেন পৌঁছয় রাত বারোটার পরে। শিলিগুড়ি জংশন থেকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন পৌঁছতে রাত ১টা বেজে যায়। নজিরবিহীন এই ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে পর্যটকদের মধ্যে। বারবার বিভ্রাট এবং ত্রুটির অভিযোগে ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।
টয়ট্রেনের চলাচল রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ (ডিএইচআর)। বারবার এই বিপত্তির জেরে উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের অধীনে থাকা ডিএইচআরের আধিকারিকদের কাছে টয়ট্রেনের রক্ষমাবেক্ষণ নিয়ে রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে বলে দফতর সূত্রে খবর। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহার বিভাগের ডিআরএম উমাশঙ্কর সিংহ যাদব শুক্রবার নিজেই টয় ট্রেনের লাইন পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। তিনি নিজে ট্রেনের কামরায় উঠে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। ডিআরএম বলেন, ‘‘রক্ষণাবেক্ষণে কোনও সমস্যা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিক্ষিপ্ত কারণে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হতে পারে। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সবরকম পদক্ষেপ করা হয়েছে।’’
তবে বিপত্তি শুধু গত কয়েকদিনের ঘটনা নয়। মে মাসের শেষ সপ্তাহের সোমবার এবং শুক্রবারও নিউ জলপাইগুড়ি থেকে ছাড়া টয়ট্রেন দার্জিলিঙে পৌঁছেছে নির্ধারিত সময়ের চার ঘণ্টা পরে। তার আগের সপ্তাহেই কার্শিয়াং থেকে ছাড়া টয় ট্রেন মহানদীতে স্টেশন লাগোয়া নির্জন এলাকায় প্রায় তিন ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ছিল। বিকেল থেকে সন্ধে গড়িয়ে যাওয়ায় পর্যটকেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়লেও রেলের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছিল। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ফিরতে হওয়ায় রেলকর্মীদের একাংশও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।
কেন এমন বিভ্রাট? ডিএইচ আর সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের কাছে চারটি ডিজেল ইঞ্জিন রয়েছে। চলতি বছরের গোড়ার দিকে তার মধ্যে দু’টি ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। তার জেরেই সপ্তাহে রোজ ট্রেন চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে ডিএইচআরের তরফে ঘোষণা করা হয়। তিন মাসের মধ্যে ইঞ্জিন মেরামতি করা সম্ভব হবে বলে দাবি করা হলেও, প্রায় পাঁচ মাস পেরিয়ে গিয়েছে। টয় ট্রেনে ব্যবহার হওয়া বেশিরভাগ কামরাও জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রতিটি কামরায় চাকায় ব্রেক ভালভ রয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বেশিরভাগ রেকের ব্রেক ‘জ্যাম’ হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। সে কারণেই মাঝপথে ব্রেক আটকে ট্রেন দাঁড়িয়ে যাচ্ছে বলে কর্মীদের একাংশের দাবি। গত মঙ্গলবারও রেকের ত্রুটির কারণেই টয়ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বলে প্রাথমিকভাবে রেলের তরফে জানানো হয়েছে। বারবার অভিযোগ উঠলেও পরিস্থিতি যে বদলায়নি গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ট্রেনের স্টেশনে ফেরাই তার প্রমাণ বলে যাত্রীদের অভিযোগ।
অথচ এত কাণ্ডের পরেও ট্রেনে যাত্রীর অভাব নেই। সংরক্ষিত টিকিট পেতে চাইলে মাসখানেক অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তবে বহু চেষ্টা-অপেক্ষার পরে টিকিট হাতে ট্রেন চাপলেও, যাত্রাপথেই ছড়িয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। ট্রেন কখন গন্তব্যে পৌঁছবে, আদৌও পৌঁছবে, নাকি মাঝপথে ঘণ্টার পর ঘণ্টা থেমে থাকবে তা নিয়েই সংশয়। গত বৃহস্পতিবার ট্রেনে চেপে দুর্ভোগে পড়া দিল্লির বাসিন্দা অনন্ত চৌহান বলেন, ‘‘ছোটবেলা থেকেই টয়ট্রেনের গল্প শুনেছি। এরআগে দার্জিলিঙে এলেও টয়ট্রেনে চাপা হয়নি। এবার শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার টিকিট না পেলেও ফেরার টিকিট পেয়েছিলাম। বারবার ট্রেন থেমে যাওয়ায় বিরক্ত লাগছিল। তিনধারিয়ায় অন্ধকারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেন থেমে থাকে। বাধ্য হয়ে মোটা টাকা দিয়ে গাড়ি ভাড়া করতে হয়েছে।’’ তাই পর্যটকদের দাবি, টয় ট্রেনে দুর্ভোগের আশঙ্কা দূর করতে ব্যবস্থা নিক কর্তৃপক্ষ। ফিরে আসুক পাহাড়ের পাকদণ্ডি বেয়ে চলার রোমাঞ্চ।
Jan 15 2016 (08:50) Dharmanagar likely to be a new Railway Division : Minister (tripurainfoway.com)
Commentary/Human Interest
NFR/Northeast Frontier
0 Followers
23967 views

News Entry# 254068  Blog Entry# 1711292   
  Past Edits
Jan 15 2016 (8:50AM)
Station Tag: Silchar/SCL added by জয়দীপ JOYDEEP जय़दीप*^/90119

Jan 15 2016 (8:50AM)
Station Tag: Dharmanagar/DMR added by জয়দীপ JOYDEEP जय़दीप*^/90119
Stations:  Dharmanagar/DMR   Silchar/SCL  
AGARTALA, Jan 14 (TIWN): 'Railway division may be setup at Dharmanagar Tripura in place of Silchar', said Manoj Kumar.
Earlier Tripura had expressed serious resentment over the decision of setting up of separate railway division in Silchar, ignoring the long standing demand of Tripura. Manoj Kumar said today after introduction of Trail BG train service between Agartala and Badarpur in 13th January, the state government had raised the issue of separate railway division and railway recruitment centre in Tripura at least for five times.
The issue has been discussed with Railway minister and
...
more...
Prime Minister several times besides, Railway Board but it was turned down on the ground that railway-fleet, passenger movement and administrative set up did not permit separate railway division for the state.
About 398 kilometres distance between Lumding and Agartala has a pair of passenger train on regular basis besides service with Silchar and Dharmanagar, north-eastern end of Tripura; moreover, the state is sharing international border situating at the corner, which substantiate the demand of separate railway division. However that the separate railway division and recruitment centre for Tripura is necessary because Agartala is soon connected with Akhaura of Bangladesh and southern entry point of Bangladesh at Feni and people are solely dependent on railway.
The country is having 68 railway divisions and northeast has 5 divisions and all are in Assam. People of Tripura have not objecting the decision of Silchar Railway Division but reiterating the claim for a separate division in Tripura considering it’s locations and communication bottleneck. Earlier the Congress led UPA government has been disrespecting the people of Tripura on political choice keeping aside the welfare norms. On view of Modi’s LOOK East policy people of Tripura demand for Railway Division in Tripura .

14526 views
Jan 15 2016 (09:17)
জয়দীপ
JoydeepRoy^~   14182 blog posts
Re# 1711292-1              
Badarpur is the best place to make new division ..

14035 views
Jan 15 2016 (10:33)
DilrubaChoYo
ApsaraRaniG~   7224 blog posts
Re# 1711292-2              
agree

13969 views
Jan 16 2016 (23:14)
Ajit Sharma   27 blog posts
Re# 1711292-3              
I also agree

13007 views
Jan 17 2016 (09:07)
nobhonil10   2373 blog posts
Re# 1711292-4              
Badarpur can cater to the whole of Barak Valley,Mizoram,Manipur and North Tripura.So as of now that seems to be a viable suitable solution.Agartala should also be a new division with the rest of Tripura under it.The option of Dharmanagar is also viable but would require new infrastructural set up though the whole tiwn can revive around that!!and can be a centre of economy

18944 views
Jan 20 2016 (19:36)
gaurav24agarwal
gaurav24agarwal~   175 blog posts
Re# 1711292-5              
Not all the five divisions of nfr are in assam. Only three are in assam- Rangiya, lumding and tinsukia. Rest two i.e alipurduar and katihar are in west bengal and bihar respectively.
Please correct your post.
Dec 18 2015 (07:27) রেললাইন না দিঘি, দ্বিধায় গোঘাট (www.anandabazar.com)
Commentary/Human Interest
ER/Eastern

News Entry# 251274   
  Past Edits
Dec 18 2015 (7:27AM)
Station Tag: Goghat/GOGT added by জয়দীপ JOYDEEP जय़दीप*^/90119
Stations:  Goghat/GOGT  
নদ-নদী অধ্যুষিত আরামবাগ মহকুমাকে রেলপথের সঙ্গে যুক্ত করার দাবি একশো বছরেরও বেশি পুরনো। সেই আরামবাগ এলাকাতেই রেললাইন বসাতে গিয়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হচ্ছে রেল-কর্তাদের। এলাকার একটি প্রাচীন দিঘিকে রক্ষা করার দাবিতে গ্রামবাসীরা এককাট্টা। রেললাইন পাতার বিরোধী না হলেও, তাঁরা চাইছেন দিঘিটি অক্ষত থাক। তাতেই বেধেছে গোল।
ওই দিঘির জন্যই হাওড়া থেকে বিষ্ণুপুর পর্যন্ত ১১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ রেললাইন পাতার কাজ কামারপুকুরের কাছে গোঘাটের ভাবাদিঘি গ্রাম এলাকায় পৌঁছে থমকে গিয়েছে। বাকি কাজ অবশ্য প্রায় পুরোটাই হয়ে গিয়েছে। পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক রবি মহাপাত্র বলেন, ‘‘ঠিক হয়েছে, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ওই এলাকায় যত দূর সম্ভব রেললাইন পাতার কাজ শেষ করা হবে। তবে ওই জলাশয়টিকে ঘিরে যে জটিলতা দেখা দিয়েছে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কথাবার্তা বা সিদ্ধান্ত কিছুই হয়নি। ’’
রেলমন্ত্রী
...
more...
থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরামবাগে রেললাইন পাতার কাজের অনুমোদন করেন। জরুরি ভিত্তিতে সে কাজ শুরুও হয়ে যায়। মমতা তখন ঘোষণা করেছিলেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর, হুগলির তারকেশ্বর এবং ফুরফুরাকে রেল মারফত যুক্ত করবেন। একই সঙ্গে হিন্দু এবং মুসলিমদের পবিত্র ধর্মস্থানকে যোগ করা সম্ভব হবে রেলের মানচিত্রে। কিন্তু পরে নানা জটিলতা দেখা দেয়। মমতা রেলমন্ত্রক ছেড়ে দেন। ফুরফুরায় রেল লাইন পাতার কাজ তখন থমকে যায়। যদিও আরামবাগ মহকুমায় রেললাইন পাতার কাজ পূর্ব ঘোষণা মতোই হয়। মমতা নিজে সেই রেল লাইনের উদ্বোধন করেন।
বিষ্ণুপুর এবং তারকেশ্বরের দিক থেকে রেলপথ পাতার কাজ দ্রুতগতিতে চলতে থাকে। দ্বারকেশ্বর নদের উপরে রেল চলাচলের উপযুক্ত বড় সেতু নির্মাণের কাজও শেষ হয়ে যায় নির্দিষ্ট সময়ে। কিন্তু জটিলতা হয় গোঘাটের ভাবাদিঘি এলাকায় রেল লাইনের কাজ করতে গিয়ে। লাইন পাততে পুরোটা না হলেও ৫২ বিঘার ওই জলাশয়ের একাংশ বুজিয়ে ফেলার কথা ভেবেছিল রেল। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের একটা বড় অংশ দাবি তোলেন, এলাকার প্রাচীন ওই দিঘিটি কোনও ভাবে বো়জানো যাবে না। সেটিকে অক্ষত রেখেই লাইন পাততে হবে। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের নথিতেও ওই দাগ-খতিয়ান নম্বরের জমি জলাশয় বলেই উল্লিখিত রয়েছে। দিঘির নামেই গ্রামের নাম।
স্থানীয় ওই বাসিন্দাদের যুক্তি, ওই দিঘিটি গ্রামের ১৭৫টি পরিবারের প্রায় ৭০০ মানুষ প্রতিদিন ব্যবহার করেন। বেশ কিছু পরিবারের রুটি-রুজি হচ্ছে ওই দিঘিতে করা মাছ চাষ। রেল প্রকল্পে দিঘি ক্ষতিগ্রস্ত হলে টান পড়বে তাঁদের সংসারে। তাই তাঁরা রেল যোগাযোগের যাবতীয় সুবিধার কথা মাথায় রেখেও দিঘিটি বাঁচাতে চান। এই দাবি নিয়ে মামলাও হয়েছে। কিন্তু রেলের প্রকল্পে ওই লাইন পাতার মানচিত্র যে ভাবে হয়েছে, তা গ্রামবাসীদের দাবির পরিপন্থী।
ভাবাদিঘি এলাকার বাসিন্দা তথা ওই দিঘির অন্যতম অংশীদার স্বপন রায়, লক্ষ্মীকান্ত রায়, শান্ত মালিক, শ্যামদেব পোড়েলদের বক্তব্য, ‘‘রেল লাইন দিঘির উপর দিয়ে না গিয়ে পাড় দিয়ে যাক। না হলে দিঘির উপরে সেতু তৈরি হোক।’’ গ্রামবাসীদের দাবিমতো রেলপথ তৈরি হলেও সে ক্ষেত্রে ভাঙা পড়বে ১৬টি বাড়ি। পুকুর পাড়ের উপর দিয়ে রেলপথ গেলে ভাঙা পড়বে ভাবাদিঘি প্রাথমিক বিদ্যালয়। যদিও সে ক্ষেত্রে নতুন স্কুলবাড়ি তৈরির জন্য গ্রামবাসীরা জমি দিতে রাজি বলে দাবি করেছেন।
পূর্ব রেলের এক কর্তার বক্তব্য, ‘‘স্থানীয় সুবিধার কথা ভাবতে গিয়ে ওই এলাকার কিছু মানুষ আগামীকে অস্বীকার করছেন। প্রকল্প কার্যকর হলে ভবিষ্যতে শুধু ভাবাদিঘি গ্রাম নয়, গোটা তল্লাটের চেহারাটাই আমূল বদলে যাবে। দেখা যাক, সেটা কী ভাবে ওঁদের বোঝানো যায়।’’
Page#    226 news entries  next>>

Scroll to Top
Scroll to Bottom
Go to Desktop site
Important Note: This website NEVER solicits for Money or Donations. Please beware of anyone requesting/demanding money on behalf of IRI. Thanks.
Disclaimer: This website has NO affiliation with the Government-run site of Indian Railways. This site does NOT claim 100% accuracy of fast-changing Rail Information. YOU are responsible for independently confirming the validity of information through other sources.
India Rail Info Privacy Policy